কোনো চিনি, হাইড্রোজ বা কেমিক্যাল ছাড়া মাটির চুলায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা রস জ্বাল দিয়ে তৈরি। শীতের পিঠা-পায়েশ ও সকালের নাস্তায় ফিরিয়ে আনুন বাংলার চিরায়ত খাঁটি স্বাদ।
বাজারে সস্তা গুড়ে ক্ষতিকর রাসায়নিক, হাইড্রোজ ও চিনি মিশিয়ে বিক্রি করা হয়। দেখুন পার্থক্য:
ঐতিহ্যবাহী গাছিদের খাঁটি রসের নিরাপদ খাদ্য
অসাধু ব্যবসায়ীদের তৈরি অস্বাস্থ্যকর বিকল্প
সরাসরি গ্রামের মাঠ থেকে সংগৃহীত ফ্রেশ স্টক। আজই অর্ডার করুন বিশেষ ছাড়ে।
দানাদার ও নরম পাটালি গুড়। ছোট পরিবারের ট্রায়ালের জন্য উপযুক্ত।
১ কেজি পাটালি গুড় + ১ কেজি স্পেশাল নলেন ঝোলা গুড়। শীতের পিঠার সেরা জুটি!
২ কেজি পাটালি + ১ কেজি ঝোলা গুড়। পুরো শীতের জন্য সেরা সেভার + সারাদেশে ফ্রি ডেলিভারি!
মাটির হাঁড়িতে রাখা ঘন লিকুইড নলেন গুড়। চিতই ও ভাপা পিঠার অবিচ্ছেদ্য অংশ।
যশোর ও ফরিদপুরের প্রবীণ গাছিরা কুয়াশাচ্ছন্ন ভোরবেলা গাছ থেকে নামিয়ে আনেন মিষ্টি ও সুগন্ধযুক্ত কাঁচা রস।
রস নামিয়েই পরিষ্কার সুতি কাপড়ে ভালো করে ছেঁকে ধূলিকণা বা পোকামাকড় মুক্ত করা হয়।
ঐতিহ্যবাহী বড় কড়াইয়ে শুকনো খেজুর পাতার আগুনে ফুটানো হয়। কোনো প্রিজারভেটিভ বা চিনি ছাড়া প্রাকৃতিক ঘনত্ব আনা হয়।
সঠিক তাপে নির্দিষ্ট ছাঁচে ফেলে তৈরি হয় দানাদার নলেন পাটালি এবং ঐতিহ্যবাহী পাত্রে রাখা হয় অমৃতসম ঝোলা গুড়।
সাদা পরিশোধিত চিনি যেখানে স্বাস্থ্যের জন্য বিষতুল্য, সেখানে খাঁটি খেজুরের গুড় এক মহৌষধ।
খেজুরের গুড়ে প্রচুর পরিমাণ প্রাকৃতিক আয়রন থাকে যা রক্তে হিমোগ্লোবিন বাড়াতে এবং রক্তস্বল্পতা দূর করতে দারুণ সহায়ক।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রয়োজনীয় মিনারেলসে ভরপুর যা শীতকালীন সর্দি-কাশি ও ফ্লু থেকে শরীরকে সুরক্ষা দেয়।
খাবার পর এক টুকরো গুড় হজমে সাহায্য করে। এটি পরিপাকতন্ত্র সক্রিয় রাখতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে।
চা, কফি, মিষ্টি কিংবা শিশুর খাবারে চিনির বদলে খাঁটি গুড় ব্যবহার করুন—পরিবার থাকবে রোগমুক্ত ও সতেজ।
আমাদের প্রতি গ্রাহকের ভালোবাসাই আমাদের অনুপ্রেরণা
"অনলাইনে এত আসল গুড় পাওয়া যায় ধারণা ছিল না। মাটির হাঁড়ির নলেন গুড়ের ঘ্রাণে পুরো ঘর ম ম করছে। পিঠা বানিয়ে খেয়েছি, অসাধারণ টেস্ট! ধন্যবাদ গুড়ালয়।"
"সবচেয়ে বড় বিষয় ডেলিভারিম্যানের সামনে টেস্ট করে নেওয়ার সুযোগ ছিল। আমি খেয়ে দেখেছি কোনো চিনির কড়কড়ে ভাব নেই, একদম মুখে দিলে মিলিয়ে যায়। ২ কেজি কম্বো প্যাকটা সেরা!"
"চট্টগ্রামে মাত্র ২ দিনে অক্ষত অবস্থায় পার্সেল পেয়েছি। ৩ কেজির মেগা প্যাক নিয়েছিলাম ফ্রি ডেলিভারিতে। গুড়ের কোয়ালিটি ১০০ তে ১০০।"
ক্যাশ অন ডেলিভারি — পণ্য হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করবেন।
আপনার যে কোনো জিজ্ঞাসা বা দ্বিধা কাটাতে নিচের উত্তরগুলো পড়ুন
জি, সম্পূর্ণ নিশ্চিত থাকুন। আমরা সরাসরি গ্রামের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে সংগৃহীত খেজুর রস থেকে অভিজ্ঞ গাছিদের দিয়ে গুড় তৈরি করি। আমাদের গুড়ে কোনো সাদা চিনি, হাইড্রোজ, সোডা বা প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয় না। এটি ১০০% নির্ভেজাল প্রাকৃতিক গুড়।
ঢাকার ভেতরে সাধারণত অর্ডার কনফার্মেশনের ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ডেলিভারি সম্পন্ন হয়। আর ঢাকার বাইরে জেলা বা থানা পর্যায়ে ২ থেকে ৩ কর্মদিবসের মধ্যে আপনার দোরগোড়ায় পার্সেল পৌঁছে যাবে।
অবশ্যই! আমাদের নীতি হলো গ্রাহকের শতভাগ সন্তুষ্টি। ডেলিভারিম্যান আসার পর তার সামনে প্যাকেট খুলে গুড়ের আসল সুবাস এবং স্বাদ পরখ করে নিন। শতভাগ খাঁটি মনে হলেই মূল্য পরিশোধ করবেন।
পাটালি গুড় সাধারণ শুষ্ক ও বাতাস চলাচলযুক্ত স্থানে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ১-২ মাস ভালো থাকে। আরও দীর্ঘ সময় (৪-৬ মাস) সংরক্ষণ করতে চাইলে বায়ুরোধী বক্সে ভরে ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন। আর নলেন ঝোলা গুড় স্বাভাবিকের চেয়ে ফ্রিজে রাখলে এর তরতাজা স্বাদ ও সুবাস দীর্ঘদিন অটুট থাকে।